প্রেমাণ্বেষী 

 

-রশ্মি ভৌমিক

সাদা পাতায় কালো অক্ষরগুলি  লিখে, নিজের মনে কি ভাবতে লাগলো, রুম্পা|

রবীন্দ্র-সরোবরের উল্টোদিকে একটা মাঠ| মাঠের পরেই উঁচু দশতলা বিল্ডিং| চারতলার একটা ঘরের জানালাটা খোলা| জানালা দিয়ে আকাশটার দিকে তাকিয়েছিল, রুম্পা| পূব দিক থেকে মেঘপুঞ্জ ধীরে ধীরে পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো| খানিকক্ষণের মধ্যে একটা হালকা অন্ধকার চারিদিকে নেমে এল| মাঠের কিনারের লম্বা গাছগুলি  শোঁ-শোঁ  শব্দে দুলছিলো| মেয়েটা, অন্যমনস্ক ছিল, চিন্তায়| দমকা হাওয়ায়, জানালার একটা পাট দুম করে বন্ধ হয়ে গেলো| টেবিলের উপর থেকে পাতাটা, উড়ে গিয়ে, মাটিতে পড়লো| হঠাৎ সচেতন হয়ে রুম্পা, তাড়াতাড়ি জানালাটা বন্ধ করে দিলো| কাগজে লেখা শব্দগুলি কি তার কাছে জরুরি? কাগজটা তুলে আবার টেবিলে এসে বসে, আরো দুটো শব্দ সংযোজন করলো|

বেশি চিন্তা করলেই ওর খিদে পেয়ে যায়| পাশেই ছিল এক বাটি মুড়িমাখা| ওর মা চানাচুর, সর্ষের তেল আর লঙ্কা কুচি দিয়ে দারুন সুস্বাদু মুড়ি মাখেন| তার সঙ্গে কয়েকটা কিসমিস আর ভাঙা কাজু বাদামের টুকরো মিশিয়ে দেন| মিষ্টি-ঝালের, জিভে জলআনা, একমুঠো সংমিশ্রণ মুখে পুরে দিয়ে রুম্পার মনটা সজাগ হয়ে উঠলো|

টেবিলের ডানদিকে দু-তিনটে ইয়া মোটা-মোটা বই সাজানো ছিল| তার মধ্যে, একটা হচ্ছে বাংলা অভিধান| রুম্পা সেটা খুলে, পাতা উল্টে পাল্টে শব্দগুলির অর্থ অন্বেষণ করতে লাগলো|

আকর্ষণ – টান, নিজের দিকে আনা

আন্তরিক – হৃদয়গত, মনোগত ,  অকপট , অকৃত্ৰিম

ঘনিষ্ঠ – অতি নিকট , অন্তরঙ্গ

প্রেম – ভালোবাসা , প্রণয়, অনুরাগ , প্রীতি, স্নেহ , ভক্তি

সম্পর্ক – সম্বন্ধ , সংস্রব, সংযোগ

হৃদয় – বক্ষ স্থল , বুকের অন্তর্ভাগ; মন , অন্তঃকরণ , চিত্ত

মেয়েটির চোখের সামনে একটা ঘন শ্যামবর্ণ মুখের অবয়ব ভেসে উঠলো| তার বুকের ভেতরটা যেন হু-হু করে ওঠে| সুদর্শন মুখটি তার দিকে বাঁকা দৃষ্টিতে তাকিয়ে, বিদ্রুপ করে হাসছিলো|

রুম্পা বারো শ্রেণীতে পড়ে, গার্ডেন হাইস্কুল এ| তিন মাস পরেই তার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা| জোর কদমে পড়াশুনা চলছে| বিজ্ঞান, গণিত আর ইংরিজিতে সে ভালোই নম্বর পেয়ে এসেছে| বাংলায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য তার মা এ বছর প্রবীরবাবুর টিউশনিতে ভর্তি করে দিয়েছেন| রুম্পার স্কুলের অনেকেই প্রবীরবাবুর থেকে টিউশন নিতো|

সেইদিন মেয়েটা একটু সময়ের আগে বাংলা ক্লাসে পৌঁছে যায়| স্কুলের একটা কালো ঢেঙ্গা ছেলে, তার কয়েকজন বন্ধুদের সঙ্গে হেসে-হেসে কি গল্প করছিলো| রুম্পা তার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ চোখ সরাতে পারলো না| এক অদৃশ্য চুম্বকের আকর্ষণে আটকে গেলো| খানিকক্ষণ পর, ছেলেটা ওর দিকে তাকালে, নিজেই চোখ সরিয়ে নিতে হলো, রুম্পাকে|

প্রবীরবাবু ঘরে ঢুকেই, ছেলেদের জটলার  দিকে উদেশ্য করে হাক দিলেন , “কৃষ্ণেন্দু তোরা কি নিয়ে গল্প করছিস?” কালো ছেলেটা চট করে ঘুরে, বললো, “কিছু না, স্যার| নীলুর বাড়ির নতুন কুকুরটা নিয়ে কথা হচ্ছিলো| ”  প্রবীরবাবু এক গাল হেসে বললেন, “বেশ তো, এবার বসে, বইটা খোল  দেখি| ” কৃষ্ণেন্দু চোখ টিপলো,বন্ধুদের দিকে ফিরে| মুখের দুষ্টু হাসিটা বলছিলো যে তাদের গল্পের বিষয়টা প্রবীরবাবুকে সঠিক জানানো হয়নি| এতে রুম্পার আরো কৌতুহল বেড়ে গেলো|

সেদিন প্রবীরবাবুর অর্ধেক কথা তার কানে ঢুকলো না| সামনে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের বইটা খোলাছিল,  চর্যাপদের শুরুর পংক্তিতে —

রাধার কি হইল অন্তরের ব্যাথা |

বসিয়া বিরলে থাকয়ে একলে, না শুনে কাহারো কথা ||

সেদিনের পর থেকে রুম্পার একাকী মুহূর্তগুলি যেন ভরে উঠেছিল কারো অদৃশ সাহচর্যে|

কয়েক সপ্তাহ পরে, ইংরেজি ক্লাসের মধ্যে হঠাৎ পেটে ব্যথা করছিলো, ওর| কিছুক্ষণ সহ্য করে, হাত তুলে লীনাদির অনুমতি চাইলো, বাথরুমে যাওয়ার জন্য| সারি সারি পাঁচটা দরজাই খোলাছিল, কিন্তু রুম্পা তবুও থমকে দাঁড়ালো| শেষের দরজাটার সামনে কৃষ্ণেন্দু জীনাতকে  জড়িয়ে ধরে ঠোঁটের উপর চুমু খাচ্ছিলো| রুম্পার সঙ্গে চোখাচোখি হতেই সে একটা দেঁতো  হাসি হেসে বললো , ” যা যা শিগগিরি, তুই কিন্তু কিছু দেখিসনি| “

রুম্পার কলিজাটা খুব জোরে ধুকপুক করছিলো| ওর মনে হলো শীঘ্রই বোধহয় একদম ফেটে যাবে| কিন্তু  পেটে-ব্যথার সমস্যার সমাধান করে, মুহূর্তের জন্য, ও আশ্বস্ত বোধ করলো| এটা কি স্বপ্ন?  নাকি জীনাতের নসীব সত্যিই এতো ভালো? জীনাত ওদের ক্লাসেই পরে| ওর বাবার গড়িয়াহাটে শাড়ির দোকান|পড়াশুনাতে একদমই ভালো নয়| গতবছর কোনো মতে পাশ করেছে|  কৃষ্ণেদু জীনাতকে ভালোবাসলো?মনে পরে গেলো কথাগুলো , ” তুই কিন্তু কিছু দেখিসনি| ”  তখনি ঠিক করলো আর ওদের সঙ্গে কথাই বলবে না|

বাইরে হাওয়া বইছিল, শোঁ-শোঁ  শব্দে| এখন পরিষ্কার শুনতে পেলো ঝম ঝম করে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে| কৃষ্ণেন্দুর কথা ভাবতে ভাবতে, রুম্পার কাজল-পরা চোখ দুটো  জলে  ভরে উঠেছিল| জামার হাতায় তাড়াতাড়ি মুছে ফেললো| কাঁদলে দেখতে ভাল লাগে না|  কেমন অসহায় বেজান একটা অস্তিত্ব মনে হয়| ও তো নিজের চেখেই  দেখলো সেদিন কৃষ্ণেন্দুও কাঁদছিলো, স্কুলের রাস্তায় একা হাটতে হাটতে| ওকে দেখে তাড়াতাড়ি চোখ মুছে হাসার চেষ্টা করলো | কিন্তু সেই হাসিটা ওর ভালো লাগলো না| রুম্পার করুণাভরা মুখটা দেখে একটু অস্বস্তি বোধ করছিলো ও| দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, ” ধুর আমি বেকার ভাবছি, কেউ ভাবে না রে| মা-বাবা আলাদা হয়ে যাচ্ছে|”  রুম্পা আবার একটা  ধাক্কা পেলো| প্রিয়জনের দুঃখে ওর মন আকুল হয়ে উঠলো| দুঃখ আর সুখ যেন  একে ওপরের হাত ধরে আসে| বন্ধনেও দুঃখ, বন্ধন মুক্তিতেও দুঃখ| বেচারা মন আর কি করবে?

সেদিনের পর মাঝে মাঝেই স্কুলের গলিতে ওদের দেখা হয়ে যেত| ভালো-মন্দ মনের কটা কথা রুম্পা তার বন্ধুকে বলে ফেলতো| ওর বন্ধুও খুব মন দিয়ে ওর কথা শুনতো|

গত বৃহস্পতিবার  স্কুলের গেট দিয়ে বেরিয়ে, খানিক দূর গিয়ে, যেখানে গালিটা একটু চওড়া হয়ে পার্কের পাশ দিয়ে বেঁকে গেছে, সেখানে রুম্পা দেখলো পাঁচ – ছটা ছেলে দঁড়িয়ে ধূমপান করছে| রুম্পা দেখলো ওরা কৃষ্ণেন্দুরই বন্ধু| মনে হলো হয়তো কৃষ্ণেন্দুও ওখানে দঁড়িয়ে আছে| কৌতূহলবসত ও রাস্তা পার হয়ে ছেলেগুলোর কাছাকাছি এসে পরলো| ধোঁয়ার গন্ধটা তার অপরিচিত| সিগারেটগুলো বাজে করে বানানো, কেমন টেরাব্যাঁকা|  রুম্পা আচমকা ভয় পেয়ে গেলো|

ঝাঁকড়া চুলওয়ালা ছেলেটা ওর দিকে তাকালো, চোখগুলো লাল, নেশা-আবিষ্ট| চাহনিটা ওর দিকে, কিন্তু দেখছিলো. রুম্পার শরীর ভেদ করে, বহুদূরে| যেন ওর শরীরটা স্বচ্ছ হয়ে গিয়ে ভেতরে কিছু একটা দেখা যাচ্ছিলো| ছেলেটা হাতটা বাড়াতেই, রুম্পা চট করে সরে গিয়ে এক দৌড় লাগালো| উর্দ্ধশ্বাসে ছুটতে ছুটতে, একেবারে সামনের বাস-স্টপে এসে থামলো| এতো ভয় ও অনেক দিনে পায়নি|

এখনো ভাবলে, রুম্পার হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যায়| সেই চোখের চাহনিটা কিরকম অদ্ভুত  যেন বাস্তব থেকে অনেক দূরে| এভাবে কি জীবন-যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়? সে আর ভাবতে পারছিলো না| মাথাটা কেমন ঝিম-ঝিম করছিলো| সে স্পষ্ট বুঝতে পারছিলো যে, ওর পা দুটোকে পেঁচিয়ে ধরেছে একটা আকর্ষণের অজগর| ধীরে ধীরে সেই শক্ত দাড়িটা তার সারা শরীরটাকে জাপ্টে ধরে পিষে ফেলছে|কিছুক্ষনের মধ্যে টেবিলে মাথা এলিয়ে, রুম্পা তন্দ্রানিমগ্ন হলো|

পার্কের মধ্যে বড় বটগাছটার নিচে কৃষ্ণেন্দুর কোলে মাথা রেখে একটা শাড়ী-পরা যুবতী মেয়ে শুয়েছিল| কৃষ্ণেন্দু ওর চুলে হাত বুলাচ্ছে| কাছে গিয়ে রুম্পা দেখলো মুখটা একদম অবিকল ওর মতনই| কাজল-পরা চোখের চাহনি ওকে হাতছানি দিয়ে ডাকছিলো|

হঠাৎ, মায়ের মিষ্টি গলাটা দূর থেকে ভেসে আসলো, ” উঠ মা, টেবিল থেকে উঠে গিয়ে, বিছানাতে ঠিক করে শো|”| রুম্পার উঠতেই  ইচ্ছা করছিলোনা|ওর মনপ্রাণ ভরে  উঠেছিল, এক অনুপম আনন্দে|

আজ রুম্পার কাঁধের ব্যাগটা হালকা| স্কুলের শেষ দিন| পেছন থেকে পরিচিত ডাক, ” রুম্পা দাঁড়া|” ঘুরে তাকিয়ে একটা চকমকে হাসি দিলো মেয়েটা| কৃষ্ণেন্দুর দৃষ্টি মুহূর্তের জন্য তার মুখে থেমে গেলো| “আজ তোকে খুব খুশি লাগছে যে| কি ব্যাপার?” রুম্পা মিটি-মিটি  হেসে বললো, “এমনি!” “তাহলে  এমনি-ই থাকিস তুই| এটাই তোকে মানায়|” দুজনে একে ওপরের দিকে তাকিয়ে, এমনি -ই, খিলখিলিয়ে  হেসে উঠলো|

Love Seeker

Rumpa quickly wrote a few words with black ink on the white paper and started to wonder about something.
She stared at the open sky through the grille on the window. Some black clouds had gathered from the east were slowly moving west. After a while a shallow darkness descended all around. Outside, the branches of a tall tree began to sway in a whispering sound.
The girl was distracted in her thoughts. The leaf flew off the table and fell to the ground Suddenly, Rumpa became aware of this and quickly closed the window. Are the words written on the paper important to her?
Love
Attraction
Relationships
Sincere

She picked up the paper and sat down at the table again Then she added two more words
Intimate
Heart
To the right of the table were two or three thick books. One of them was the Bangla Dictionary. Rumpa opened it, turned the pages and began to search for the meaning of the words.

Attraction – pull, bring to yourself
Sincere – heartfelt, psychic, emotional, candid, genuine
Intimate – Intimate (relationship), intimate (friend)
Love – love, romance, affection, affection, affection, devotion
Relationships – Relationships, Relationships, Connections
Heart – chest ground, inner part of chest; Mind, heart, mind

The girl had a black handsome face in front of her eyes. It was as if the inside of her chest was feeling empty. She did not understand what unknown attraction was drawing her.
Rumpa is in 12th grade, at Garden High School. She has her high school exams coming up in three months. Studying is going on in full swing. Her mother admitted her to Prabir Babu’s tuition this year to improve her marks in Bengali. Many students from Rumpa’s school took tuition from Prabirbabu.

One day the girl had reached the class a little earlier. A tall black boy from her school, was laughing and talking to some of his friends. Rumpa looked at him and couldn’t take her eyes off him for a moment. She felt the pull of an invisible magnet. After a while, Rumpa had to look away.
As soon as Prabirbabu entered the room, he turned his focus at the boys and asked, “Krishnendu, what are you talking about?” The black boy turned around and said, “Nothing, Sir. We were talking about the new dog at Nilu’s house.” Prabirbabu smiled and said, “Well, let’s sit down and open the book.” Krishnendu winked at his friends. The naughty smile on his face said that Prabirbabu was not told the truth about their story. This kindled further Rumpa’s curiosity about him.

That day, half of Prabirbabu’s words did not reach her ears The book on the history of Bengali literature was opened in front of her, at the opening line of the Charyapada:

What happened to Radha’s heartache?
Sitting by herself, alone, without listening to anyone’s words ||

being under the influence of love, Rumpa got her first shock about a week later. Suddenly she started having stomach aches during the English class. After enduring for a while, she raised his hand and asked Miss Lena’s permission to go to the girls’ bathroom. Row upon row of five doors were open but Rumpa still stood there without getting in. In front of the last door, Krishnendu hugged Zeenat and kissed her on the lips. As soon as he saw Rumpa, he smiled and said, “Come on, you haven’t seen anything.”
Rumpa’s heart was pounding. She thought it might explode soon. But she felt relieved for a moment after solving her stomach-ache problem Was she dreaming? Or is Zeenat’s luck really that good ? she remembered the words, “But you haven’t seen anything.” She decided, right then and there that she will never to talk to them again.

The wind was blowing outside, with a loud whispering sound. She had closed the window herself. Now she could clearly hear that it had started to rain. Thinking about all this, Rumpa’s kajal-clad bright eyes filled with tears. She quickly wiped them with the sleeve of her blouse. She did not like crying. What a helpless lifeless existence it seems. She saw that for herself when Krishnendu was crying that day. He was walking alone on the way to the school. Seeing her, he quickly wiped his eyes and tried to smile. But she did not like that artificial smile. Seeing Rumpa’s compassionate face, he felt a little uncomfortable. He sighed and said, ” Damn, it is useless to think, nobody cares. My parents are getting separated.” Rumpa felt a hard jolt again. Her mind became anxious with the grief of her loved one. Sorrow and happiness seem to come hand in hand. There is sadness in bondage and sorrow in the release of bondage, as well. What can our the poor mind do?

After that day, they would occasionally meet in the alley leading to the school. Rumpa used to tell her friend about her day. Gradually she realized that she could not free herself from this attraction.

Going out through the school gate last Thursday, a little farther down, where the alley became a little wider and curved by the side of the park, Rumpa saw five or six boys standing and smoking. Rumpa saw that they were Krishnendu’s friends. It seemed to her that Krishnendu may also standing there. Out of curiosity, she crossed the road and came near the boys. The smell of smoke was unfamiliar to her. The cigarettes looked like they were badly made, crumpled and uneven. Rumpa suddenly felt frightened.

A boy with curly hair looked at her, his eyes were red, intoxicated, coming from another world. But the gaze was not looking at her. It seemed to pierce her body and looking beyond. It was as if her body had become transparent and something could be seen inside As soon as the boy raised his hand, Rumpa slipped away and started running with all her strength and finally she stopped at the bus stop, ahead. She didn’t get so scared for many many days.

As she thought, Rumpa’s heart was beating fast. How strange was the look in those eyes, far from reality. Is it possible to get rid of life’s pain, this way? She couldn’t think anymore. How her head was throbbing. After a while, she leaned her head on the table and fell asleep.

In the park, under a big banyan tree, a young girl in a sari was lying with her head on Krishnendu’s lap. Going closer, Rumpa saw that her face was exactly like hers The attractive eyes wearing kajal, were calling her. Krishnendu was running his fingers through her hair. Mother’s sweet voice came from afar, “Get up dear, get up from the table, go sleep in your bed.” Rumpa didn’t want to get up. Her heart was full of unparalleled joy.

Today her backpack is light. It is the last day of school. A familiar call came from behind, “Rumpa, wait up!” The girl looked around and smiled brightly. Krishnendu’s gaze stopped at her face for a moment “You’re so happy today. What’s the matter?” Rumpa chuckled and said, “Just like that!” “Then be just like that. It suits you.” The two of them looked up at each other and laughed heartily, just like that.


Henry

A loving voice of an aged women came floating through the air, “Henry, Henry!! Come here, baby.” Seeing no response on the other end she called again. She was standing under a shady maple tree with another friend whose dog was near her. As she started to call the third time, she was startled by a reproaching “Woof, woof!!” from her friend’s dog. It came right next to her, wagging its tail and looked at her face. Mrs. Garelick puckered up her face and wondered if her voice was too loud and imperative. She stopped calling. But Henry needed to come ASAP! He was too far and she was losing sight of him.

Henry was happily admiring the white blossoms of a mock orange bush by the roadside. What a beautiful day it was! Bright sunshine had washed the road and a light breeze from the south made the ambience just perfect. A faint yet bewitching fragrance was drawing him closer to the bush. With his little feet he ventured closer to the flowers. The bush was towering over him. Suddenly he heard a soft chirping sound. He waited for a few moments and sure enough there it was again.

Henry was thrilled to realize that the chirping was coming from within the bush. He could hear Mrs. Garelick’s familiar voice calling him but now could hardly contain his curiosity to explore the source of the sound. He peered through the branches and let his eyes get accustomed to the darkness within. His eyes popped out and he tilted his head slightly in amazement. Among the mesh of thick and thinner branches and reeds, way deep inside was a carefully laid bunch of twigs arranged as a cuddly home for three baby warblers.

The babies felt hungry and started to let out little squeaks to call out to the parents. The parents were still busy gathering food. Henry happened to be standing nearby. He carefully took a few steps forward to take a closer look. They looked like yellow balls of fuzz. The tiny black eyes and beaks were the only identifying features tying them to the avian species. What a neat find!!

In his excitement, he hurried and stumbled forward, losing his balance. Whoosh! There he was right next to the nest, surrounded by the branches and darkness. He tried to kick with his little legs but his right foot got caught in the mesh of branches. For poor Henry, the thrill and excitement suddenly turned to fear. He lost interest in the cute yellow chicks and became worried about his own safety. Tears streamed down from his frightened eyes. He thought of shouting for his life but looked at the chicks, instead. The chicks were staring at him, in fear and excitement. They squeaked softly, though. Henry was glad that they were not panicking. He just whined and felt really sorry for himself.

Mrs. Garelick had waited couple minutes under the shade but became worried now. “Henry, Henry,” she called again trying hard to make it endearing even though it was loud. When there was no response she started to walk back to the place where she last saw Henry. But no one was there to be seen. She looked around in disbelief and was almost at the point of panicking. “Henry, Henry!!” , she was clearly audible. Something in her told that Henry must still be nearby. So she paused and listened carefully. She heard the soft breeze, some mild chirping and then a familiar whimpering that she knew too well. That must be Henry but where is he. Her eyes fell on the bunch of reed and mock orange bushes. She softly called out to her dear Henry and this time perked her ears to track the source of the whimpering. Sure enough there it was from the third bush on her right. Mrs. Garelick bend down and peered inside the bush. She saw the scared eyes of Henry staring back at her.

Carefully she rescued him from the bush and took him in her lap. He greeted her with a ton of sloppy licks and a loving “Woof! Woof!”

Why create a Brand and Mission Statement?

A LEAF IN THE WIND

A brand is not just a logo, name, or a slogan to go with it. In today’s world branding is a complex entity that is of key importance to gain market presence. Here are some reasons to consider:

  • Emotionally connects your consumers with your product
  • Clear delivery of your message
  • Confirms your credibility
  • Motivates the buyer to buy
  • Creates user loyalty

Branding not only creates loyal customers, but also loyal employees. A well-designed and aligned brand builds trust and confidence in people. It helps employees understand the purpose of the organization they work for and feel part of something significant.

Let us go through a sample exercise on our own to experience this concept. See below:

Sample Exercise to create a personal or corporate mission statement

Step 1: What are your / your company’s core values?

Personal Example: Confidence, Mindfulness, Patience, Faith, Honesty, Kindness, Compassion, Hope, Empathy

Step 2: What makes you…

View original post 87 more words

Are you my Mentor?

A LEAF IN THE WIND

Who is a mentor?                                                                                                

A quick answer to that question, is someone who solves your problems or provides advice. A better perspective to answer this is to consider thelong-term effect of mentoring. A mentor is one who successfully develops a mentee (the person she or he is mentoring). The interactions may be frequent or few and far between, but mentoring is a lasting relationship.

Oprah Winfreyexplained, “I mentor when I see something and say, ‘I want to see that grow’”

It is a mutual relationship that leaves no doubt in either’s mind.In most cases if you find yourself asking the question, “Are you, my mentor?”, then the answer is probably no.

It is not surprising that the benefits of mentoring are mutual because it comes from a positive aspect of human quality.

Benefits to the menteeBenefits to the mentor
Develops a supportive relationship

View original post 216 more words

The Gift of Ekadashi, the 11th day of the lunar cycle

On January 28th, 2022, I received a gift and it was the number 207. It led me to think of a pattern like below:

01X9=009
12X9=108
23X9=207
34X9=306
45X9=405
56X9=504
67X9=603
78X9=702
89X9=801
100X9=900

I thought of extending this to have a more general pattern using 112, 1112 etc by adding 111 or 1111 instead of adding 11. The pattern worked! I thought it was amazing.

Then I thought of trying with 2 as a starting. I was surprised to get this pattern.

02X9=18
13X9=117
24X9=216
35X9=315
46X9=414
57X9=513
68X9=612
79X9=711
90X9=810

Then I thought extending this pattern further as well.

102X9=918
113X9=1017
124X9=1116
135X9=1215
146X9=1314
157X9=1413
168X9=1512
179X9=1611
190X9=1710

Do you want to see another pattern ?

1X9=9
11X9=99
2X9=18
12X9=108
3X9=27
13X9=117
4X9=36
14X9=126
5X9=45
15X9=135
6X9=54
16X9=144
7X9=63
17X9=153
8X9=72
18X9=162
9X9=81
19X9=171

We can extend this further by adding to it further like 119 or 1119 etc. 😀

Why create a Brand and Mission Statement?

A brand is not just a logo, name, or a slogan to go with it. In today’s world branding is a complex entity that is of key importance to gain market presence. Here are some reasons to consider:

  • Emotionally connects your consumers with your product
  • Clear delivery of your message
  • Confirms your credibility
  • Motivates the buyer to buy
  • Creates user loyalty

Branding not only creates loyal customers, but also loyal employees. A well-designed and aligned brand builds trust and confidence in people. It helps employees understand the purpose of the organization they work for and feel part of something significant.

Let us go through a sample exercise on our own to experience this concept. See below:

Sample Exercise to create a personal or corporate mission statement

Step 1: What are your / your company’s core values?

Personal Example: Confidence, Mindfulness, Patience, Faith, Honesty, Kindness, Compassion, Hope, Empathy

Step 2: What makes you full / your product fulfilling to the customer?

Personal Example: Cooking for others. Sharing with others. Engage in creative work.

Step 3: What makes you / your product stand out?

Personal Example: People can depend on me. I care for people. People like my artwork. Attention to details.

Step 4: What impact will you / your product make?

Personal Example: Connect with people, move people, create stress relief, love and compassion through yoga, art, music.

Personal Mission Statement: Connect with people through creative activities and grow together.

Dojran Lake, Macedonia

Dojran Lake is shared between Macedonia and Greece and covers an area of 16.6 sq miles.

The legend about the formation of Dojran Lake says that in the old times, there was a well from which the people pumped water. Whenever people filled their buckets with water, they locked the well with 9 padlocks always after they are finished.

One day a beautiful girl called Dojrana headed to the well to pump water. The boy that she loved was waiting for her near the well. After she filled her buckets with water, Dojrana forgot to lock the last padlock, distracted by the boy’s caressing. The water overflowed the well and the whole district. A lake was formed and people named it after the beautiful girl Dojrana.

The lake is shallow, rich in minerals and nutrients and with extensive reedbeds. Due to the overuse of the lake’s water for agricultural purposes, Dojran’s water was nearly drained out. The disaster was avoided after both countries took measures to replenish and sustain water levels. Frequent and heavy rainfall in later years helped restore water levels in the lake.

The southern shore became the site of the various battles between allied troops and Bulgarian troops during World War I. A monument to one of the battles and two cemeteries for Greek and British troops stand on a hill a few hundred meters south of the lake.

বিজয় সম্ভাবনা

রুডিয়ার্ড কিপলিং এর IF কবিতার বাংলায় অনুবাদ

রশ্মি ভৌমিক
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
বোল্ডার কলোরাডো , যুক্তরাষ্ট্র

-1-

যদি মাথা ঠান্ডা রাখতে পার, যখন সবাই রাগ করে তোমার ওপর দোষ দেয়,

যদি তাদের সন্দেহ দৃষ্টিকোণ মার্জনা করে, পার ধরে রাখতে বিশ্বাসের হাত,

যখন সবাই তোমার উপর বিশ্বাস হারায়;

যদি সুদীর্ঘকাল আশার আলো জ্বালিয়ে রেখেও ক্লান্তির ছায়া পড়তে না দাও,

যখন সবাই সত্য লুকাচ্ছে, তখনও নিজে, মিথ্যার আশ্রয় না নাও,

লোকের বিদ্বেষের সম্মুখীন হয়েও যদি নিজের মনকে ঘৃণামুক্ত পাও,

নিজেকে  বড় বেশি ভালো আর প্রাজ্ঞ না  দেখিয়ে।

-2-

যদি তুমি স্বপ্ন দেখতে পার , স্বপ্নের দ্বারা চালিত না হয়ে.

যদি তুমি ভাবতে পার , অথচ ভাবনাকেই আপন লক্ষ না করে,

যদি জয় ও বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পার
এবং দুই প্রতারকের সাথে একই আচরণ কর;

যদি অসৎ লোকের প্যাঁচে, নিজের বলা সত্যিকথাকে,
অসন্দিগ্ধ লোকের ফাঁদ হতে দেখেও বিচলিত না হও,

জীবন দিয়ে গড়া জিনিসগুলি, চোখের সামনে ভাঙতে দেখেও যদি
নিচু হয়ে, জীর্ণ সরঞ্জাম দিয়ে আবার গড়ার প্রচেষ্টা কর :

-3-

ঝুঁকিপূর্ণ খেলার চালে সব সঞ্চিত সাফল্য হারানো সাহস রাখ,

আবার নতুন করে শুরু করতে গিয়ে একবারও যদি দুঃখ প্রকাশ না কর,

হৃদয়, স্নায়ু এবং রক্তপেশির সব জোর দিয়ে,

নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কর্তব্য পালন করতে,
ক্লান্তি ও নিরাশা উপেক্ষা করে, যদি পার একাগ্র নিষ্ঠায়, লেগে থাকতে,

-4-

যদি সাধারণ মানুষের ভাষায় কথা বলতে পার , নিজের সৎগুন বজায় রেখে,
অথবা রাজাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পার, সাধারণ মানুষ থেকে দূরত্ব না রেখে,

যদি শত্রু বা প্রিয় মিত্র কেউই তোমার মনে ব্যথা দিতে না পারে,

যদি সব মানুষই তোমার কাছে প্রাধান্য পায়, আর কেউই খুব বেশি নয়,

যদি ক্ষমাহীন মুহূর্তগুলিকে ভরিয়ে তুলতে পার প্রতি ক্ষণের সার্থক কাজে ,

তবে এই জগৎ আর তার অন্তর্ভুক্ত সব কিছু রবে তোমার আয়ত্তে

আর তার চেয়েও বড় – বৎস, তুমি একজন প্রকৃত মানুষ হবে||

==============================================================

If—
BY RUDYARD KIPLING

If you can keep your head when all about you
Are losing theirs and blaming it on you,
If you can trust yourself when all men doubt you,
But make allowance for their doubting too;
If you can wait and not be tired by waiting,
Or being lied about, don’t deal in lies,
Or being hated, don’t give way to hating,
And yet don’t look too good, nor talk too wise:

If you can dream—and not make dreams your master;
If you can think—and not make thoughts your aim;
If you can meet with Triumph and Disaster
And treat those two impostors just the same;
If you can bear to hear the truth you’ve spoken
Twisted by knaves to make a trap for fools,
Or watch the things you gave your life to, broken,
And stoop and build ’em up with worn-out tools:

If you can make one heap of all your winnings
And risk it on one turn of pitch-and-toss,
And lose, and start again at your beginnings
And never breathe a word about your loss;
If you can force your heart and nerve and sinew
To serve your turn long after they are gone,
And so hold on when there is nothing in you
Except the Will which says to them: ‘Hold on!’

If you can talk with crowds and keep your virtue,
Or walk with Kings—nor lose the common touch,
If neither foes nor loving friends can hurt you,
If all men count with you, but none too much;
If you can fill the unforgiving minute
With sixty seconds’ worth of distance run,
Yours is the Earth and everything that’s in it,
And—which is more—you’ll be a Man, my son!

রুডিয়ার্ড কিপলিং একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন| উনি ভারতবর্ষে জন্মগ্ৰহণ করেছিলেন এবং উনার সাহিত্যে ভারতীয় সভ্যতার ছায়া পড়েছিল| “Jungle Book ” উনার অন্যতম বিখ্যাত রচনা |
ইংলিশ লিটারেচার এ নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, ১৯০৭ এ |

বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশ ৯ ও ১০ অক্টোবর ২০২১

উত্তর আমেরিকা বাংলা সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশ তৃতীয়বারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের সমাবেশটি হবার কথা ছিল নর্থ ক্যারোলিনার শার্লট শহরে। কোভিড-১৯ অতিমারির প্রকোপ যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস না পাওয়ায় সাহিত্য পরিষদ গত বছরের মত এবারেও মেঘমিলনের মাধ্যমে সমাবেশ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব নির্ধারিত তারিখেই – অক্টোবরের নয় ও দশ তারিখ, ২০২১, শনি ও রোববার।

সম্পূর্ণ অনলাইনে পরিবেশিত এই সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য জুম ভিডিও এপ্লিকেশন

ব্যবহার করতে হবে। এই এপ্লিকেশনটি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে  জুমের ওয়েবসাইটে ।

নিবন্ধনের জন্য কোন চাঁদা ধার্য করা হয়নি এবারেও। তবে এবার সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য  নিবন্ধন আবশ্যক।নিবন্ধিত অতিথিগণ সমাবেশে যোগ দেবার জুম লিঙ্ক পাবেন যথাসময়ে ই-মেইল মারফত। সমাবেশের কার্যক্রম সরাসরি আন্তর্জালে সম্প্রচারিত হবে। মেঘ অধিবেশনগুলো রেকর্ড করা হবে। নিবন্ধনের শেষ তারিখ সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১।  

এই সংগঠন এবং সমাবেশের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ও ভারতের বাইরে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত সকল অনাবাসী বাঙালি সাহিত্যা্মোদীদের একটি প্ল্যাটফর্মে এনে দাঁড় করানো যেখান থেকে পারস্পরিক সাহিত্যচর্চার সংবাদ বিনিময় করতে পারবেন তাঁরা, পরস্পর পরপ্পস্পরের সৃষ্টি সম্পর্কে অবগত হবেন এবং অনাবাসে লেখার চর্চা,  প্রকাশনা ও প্রচারের সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবেন।এই যোগাযোগ ও পর্যালোচনা সকল অনাবাসী সাহিত্যিককে কোন না কোন ভাবে সমৃদ্ধ করবে – সকল অনাবাসী সাহিত্যরসিক বাঙালির একটি মিলিত ও জোরালো কন্ঠ সৃষ্টি হবে  যা তৃতীয় বাংলার কন্ঠস্বর বলে পরিচিত হবে।